online

We have 12 guests and no members online

About us

Articles

NAT

ন্যাট শব্দটি "নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস ট্রানস্লেশান" (Network Address Translation) এর আদ্যাক্ষর নিয়ে গঠিত। নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস বলতে আমরা মুলত আইপি অ্যাড্রেসকে বুঝি। ন্যাট হল এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একাধিক আইপি-কে একটি আলাদা আইপি-তে পরিণত করা যায়।

ধরা যাক তিনটি কম্পিউটার আছে যাদের আইপি যথাক্রমে 162.88.233.78, 162.88.233.79 ও 162.88.233.80। এখন যদি এই তিনটা কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক কোন ন্যাটে পাঠানো হয় তাহলে তাদের আইপি একিভূত হয়ে 198.168.00.01 দেখাতে পারে।

প্রশ্ন আসতে পারে যে ন্যাট ব্যবহারের সুবিধা কি? উদাহরণ দেওয়া যাক। একট অফিসে নির্দিষ্ট নাম্বারের সাথে কতগুলো এক্সটেনশান নাম্বার আছে যা অফিসের বিভিন্ন রুমে দেওয়া আছে। যদি কেও ওই অফিসের কারো সাথে কথা বলতে চায় তাহলে নির্দিষ্ট নাম্বারে ফোন করলে রিসেপশনিস্ট সেটা পাবে। তারপর গ্রাহকের দরকারমত রুমে কল ট্রান্সফার করে দিবে। বাইরের কেও কিন্তু সরাসরি কোন রুমের ফোনে কল করতে পারবেনা। ন্যাট ঠিক এরকম একটি পদ্ধতি যেখানে বাইরের সকল প্রটোকল একটি আইপি অ্যাক্সেস করতে পারে যদিও কম্পিউটারের সংখ্যা একাধিক হতে পারে।

ন্যাটের সুবিধাগুলো হল - এতে শুধু ন্যাট ডিভাইসে ফায়ারওয়্যাল থাকলেই চলে, পৃথকভাবে সব কম্পিউটারে ফায়ারওয়্যাল না থাকলেও চলে। তাছাড়া অনেক অফিস আছে যেখানে সকল কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদাভাবে ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়া সম্ভব হয়না। সেক্ষেত্রে তারা একটি আইপির অধীনে ইন্টারনেট কানেকশান নিয়ে সেটা ন্যাটের মাধ্যমে সকল কম্পিউটারে সরবরাহ করে। তবে ন্যাটের অসুবিধাও আছে। কিছু প্রোটোকল যেমন এফটিপির ক্ষেত্রে ন্যাট সম্পুর্ণরূপে ক্লায়েন্ট পিসি কে অ্যাক্সেস করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ডাটা প্যাকেট নষ্ট হয়। তবুও ন্যাট যথেষ্ট জনপ্রিয় এবং কার্যকরী পদ্ধতি।

comments
Joomla SEO by AceSEF

Bangla Problem?

Like Our Page



Search

Thanks To