online

We have 15 guests and no members online

About us

Articles

ICS

ICS-এর পূর্ণ অর্থ হল “Interner Connection Sharing”। এর মূল কাজ হল একই ইন্টারনেট সংযোগ ও আইপি এড্রেস দিয়ে অনেকগুলো কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করা। যেমনটা- একটি বাড়িতে অনেকগুলো কম্পিউটার একটি রাউটারের(router) মাধ্যমে একই কেবল কিংবা ডিএসএল মডেমের সাথে যুক্ত হতে পারে। এছাড়াও আইএসডিএন, ডায়াল-আপ ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতেও এটি ব্যবহারযোগ্য। যতক্ষণ পর্যন্ত রাউটারটি মডেমের সাথে যুক্ত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত রাউটারের সাথে যুক্ত কম্পিউটারগুলোও ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকবে। এই কম্পিটারগুলো “Network address translation” বা (NAT) কিংবা “Dynamic Host Configuration Protocol” বা (DHCP)–এর মাধ্যমে একই আইপি এড্রেস শেয়ার করে।

উইন্ডোজ ৯৮ এর দ্বিতীয় ভার্সন ও এর পরবর্তীগুলো, ম্যাক ওস এক্স (Mac OS X)এবং লিনাক্সে এটি সমর্থন করে। তবে লিনাক্সের জগতে একে “Interner Connection Sharing”-এর পরিবর্তে বলা হয় “IP masquerading”। এটি একটি সিস্টেম নেটওয়ার্কের সেটিংস পরিবর্তন করে এবং কম্পিউটারকে একধরণের প্রক্সি সার্ভার বা গেটওয়েতে রূপান্তর করে। পরবর্তীতে একই নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটারগুলোও এই কম্পিউটারের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে পারে। যে কম্পিউটারটি মডেম বা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকে তাকে বলে আইসিএস হোস্ট বা গেটওয়ে। আর অন্যন্য যে ডিভাইসগুলো আইসিএস হোস্টের মাধ্যমে ইন্টারনেটে যুক্ত থাকে তাদেরকে বলা হয় আইসিএস ক্লায়েন্ট।

সফটওয়্যারের মাধ্যমেও আইসিএস করা যায়। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা উইনগেট (WinGate) বা উইনপ্রক্সি (WinProxy)-র মত থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করেও একই সুবিধা পেতে পারে। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকার পরও সফটওয়্যারের কিংবা হার্ডওয়্যারের(যেমন-রুটার) মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ারের সুবিধা দেয়াতে আইসিএস এখনও অনেক সহজ এবং ঝামেলাহীন সমাধান।

comments
Joomla SEO by AceSEF

Bangla Problem?

Like Our Page



Search

Thanks To